সর্বশেষ সম্পাদনা: 4 June 2021 at 04:05 pm

আশিকের গল্পঃ বিষন্নতা ও আত্বহত্যা

আশিকের লাশটা গত দুই ঘন্টা ধরে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে। কেউ আসছে না ওর ঘরে, দরজা ভিতর থেকে লক করা। আশিকের মা বেশ কয়েকবার এসে নব ঘুরিয়েছেন, কিন্তু খুলতে পারছেন না।
আশিকের খোলা চোখ দুটি যেন কোটর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আছে! ও সব কিছু দেখছে, শুনছে, বুঝতে পারছে, কিন্তু নড়াচড়া করতে পারছে না – পারছে না কথা বলতে!
মা হয়তো ভেবেছেন একা থাকার জন্য আশিক দরজা লক করে রেখেছে, রেগেমেগে মন খারাপ করে আছে। তিনি কিছুক্ষণ পরপর এসে ডাকছেন আর দেখছেন আশিক দরজা খুলেছে কিনা। আশিক যদিও ভেবেছিল মা আর তার রুমে আসবে না, যে কড়া ধমক দিয়ে মাকে সে বলেছে ওর ঘরে আর না আসতে। তারপরও মা উৎকণ্ঠা নিয়ে পায়চারি করছেন ঘরের বাইরে। আশিকের বাবাও কয়েকবার ডাইনিং এ এসে খুব চিন্তিত মুখে বসে থেকে নিজের ঘরে ফিরে গেছেন।
খুব অদ্ভুত ব্যাপার, মৃত্যুর পর থেকে কে কি ভাবছে আশিক সব বুঝতে পারছে! আশিক ভেবেছিলো – ফাইনাল প্রফে ফেল করায় বাবা কি চরম কষ্টটাই না পেয়েছেন। হয়তো ভেবেছেন কারো সামনে মুখ দেখাতে পারবেন না, কত বড় মুখ করে সবাইকে বলেছেন, “পাশ করে আমার ছেলেটা ডাক্তার হবে, বাপের নাম উজ্জ্বল করবে।” কিন্তু বাবা এখন ভাবছেন কিভাবে ছেলের মনটা একটু ভালো করা যায়। পাশ করলে বলেছিলেন যে বাইক কিনে দেবেন। টাকাটা তাই দু’দিন আগেই ব্যাংক থেকে তুলে রেখেছিলেন। বাবা এখন ভাবছেন – কখন আশিক দরজা খুলবে, টাকার খামটা ছেলের হাতে তুলে দিয়ে বলবেন, “যা বাবা, তোর পছন্দের বাইকটা কিনে আন। আর শোন, সেটাতে আমাকে মাঝেমাঝে লিফট দিবি। ফেল করেছিস তাতে কি! নেক্সট টাইম আরো ভাল করে চেষ্টা করবি। আজ না হয় কাল, পাশ তো একদিন করবি’ই। মেডিকেলে পাশ ফেল কোন ব্যাপার না, কত ডাক্তার বারবার ফেল করে আজ বড় প্রফেসর। তুইও একদিন পারবি বাবা। ভেঙে পরিসনে। ভয় পাসনে। সাহস রাখ। আমাদের দোয়া আছে। আমরা তোর পাশে আছি।”

আশিকের বন্ধুরা ওর ব্যাপারে কি ভাবছে আশিক তাও বুঝতে পারছে। আশিকের বন্ধু মারুফ আর মনির এর মধ্যেই প্ল্যান করেছে, কাল দলবল মিলে আশিকদের বাসায় গিয়ে ওকে চমকে দেবে। সবাই মিলে কক্সবাজার যাবে বেড়াতে। আশিকের স্পন্সর ওরাই হবে। সবসময় ওকে সঙ্গ দিবে, সাহস দিবে। পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে কোন কথাই বলবে না। দুটো দিন ওকে নিয়ে পাহাড়-সমুদ্র ঘুরেফিরে বেড়াবে। অথচ আজ বিকেলেও আশিক ভেবেছিলো ওকে নিয়ে ওর বন্ধুরা কত উপহাসই না করছে!

মৃত্যুর আগেও ও ভেবেছিলো, ডাক্তার খালামনি এখনো ওর ফেলের খবরটা শোনেনি। শুনলে কি ভাববেন, কত কিছুই না বলবেন, “ছি ছি ছি, ব্যাটা গাইনিতে কেউ ফেইল করে?”
কিন্তু আশিক জানেনা, খালামনি ইতোমধ্যেই ওর খবর শুনেছেন। তিনি ঠিক করেছেন আশিককে বলবেন, ‘আরে বোকা, ফেল করেছিস তাতে কি! সামনে ভাল করবি। স্রষ্টা সামনে অনেক ভাল কিছু রেখেছেন। নিজের উপর আস্থা রাখ। চল শপিং এ যাই, তোকে কিছু কিনে দিই।”
চারপাশের কে কি মনে করছে করবে এসব নিয়ে আশিক খুব স্ট্রেসে ছিল (Depressive episodes are often triggered by stressful life events), ওর কাছে তখন মনে হচ্ছিলো,
> I am no good!
> The world is an awful place!
> The future is hopeless!
সমাধান হিসেবে তাই বোকার মত বেছে নিয়েছিলো আত্মহননকে!
ওদিকে আশিকের মা সেই কখন থেকে ডাইনিং এ দাঁড়িয়ে আছেন আর ভাবছেন, “ওর প্রিয় ইলিশ মাছের তরকারিটা ঠান্ডা হয়ে গেল, ছেলেটা বের হলে নিজ হাতে খাইয়ে দিবেন।”
তিনি তাই বারবার দরজার সামনে আসছেন, দরজা খোলার জন্য আকুতির সুরে ডেকে যাচ্ছেন, “আশিক, বাবা আমার, দরজাটা খোল।”
রাত এখন অনেক প্রায়। এরমধ্যে মা কয়েকবার বাবাকে গিয়ে একটু বকাও দিয়েছেন, “তোমাকে না বলেছি, রেজাল্ট নিয়ে ছেলেকে এত কথা শুনিয়ো না। কত মানুষ কত ভুল করে, ও তো শুধু ফেলই করেছে। ও নিজেও তো এতে কষ্ট পাচ্ছে। ওকে কথা না শুনিয়ে তোমার উচিৎ ছিল ছেলের পাশে থাকা, ওকে শান্ত্বনা দেওয়া।” (Cognitive behaviour therapy/CBT – most effective psychological treatment)
আশিকের ধারণা ছিল ওর রাগী বাবাটা এসব কথা শুনে মায়ের সাথে পাল্টা তর্ক করবেন। কিন্তু কি অদ্ভুত, বাবা চুপচাপ সব মেনে নিয়ে বললেন, “তুমি ঠিকই বলেছো, আমি ভুল করেছি, বুঝিনি রেজাল্টের চেয়ে ছেলে বড়।”
এসব শুনে মৃত আশিক মনে মনে ভাবছে, “বেঁচে থাকলে এখন আমি কাঁদতাম, চিৎকার করে কাঁদতাম। অযথাই সারা দিন কেঁদেকেটে চোখ ফুলিয়েছি, শেষমেশ বোকার মত আত্মহননের কান্ডটা করেছি! কিন্তু জীবনটা কত সুন্দর! পাশ করার চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর মায়ের হাতের রান্না খাওয়া, বাবার সাথে গল্প করা, বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়া।”
অধৈর্য্য হয়ে মা এখন দরজায় জোরে জোরে আঘাত করছেন, দরজা ভেঙেই ফেলবেন বোধহয়!
আশিকের চিৎকার দিয়ে বলতে ইচ্ছা হচ্ছে, “এই দরজা কখনো খুলোনা মা। কখনো খুলোনা এই দরজা….”
কিন্তু দরজা খুলতে না পেরে, আর ভিতর থেকে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে আশিকের বাবা মা খারাপ কিছু সন্দেহ করেন! দরজা ভেঙে ফেলতে তারা রড দিয়ে দরজার উপর ধুরুম ধারুম আঘাত করা শুরু করেন!
দরজায় জোরছে আঘাতের শব্দ শুনে আশিক ধড়মড়িয়ে জেগে ওঠে। উঠে দেখে সারা শরীর ওর ঘামে ভেজা। কি ভয়ংকর দুঃস্বপ্নটাই দেখেছিলো এতক্ষন!
ঘুম ভাঙতেই বাইরে থেকে মায়ের চিল্লানি শুনতে পায়, ‘আশিক, বাবা ওঠ তাড়াতাড়ি, বেলা বেড়ে দুপুর, সেই কখন থেকে ডাকছি, পরোটা আর হাঁসের মাংস ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে!’ আশিক আড়মোড়া ভেঙে উঠে দরজা খুলে দেয়। খুলেই ছোট্ট শিশুর মত মায়ের গলা জড়িয়ে বলে, ‘মা, তোমাকে খুব ভালবাসি!’ এই বলে ফ্যালফ্যাল করে কান্না শুরু করে! মা অবাক হয়ে যায়, ‘কি বোকা ছেলে! কাঁদছিস ক্যান? কি হইছে? তোর বাবা তোর জন্য বাইক কিনতে গেছে, তাড়াতাড়ি হাত মুখ ধুয়ে খেতে বস!’
গল্পটা শেষ। এভাবেই শেষ হোক প্রতিটি বিষন্নতার গল্প। কিন্তু সব গল্প এভাবে শেষ হয় না!

বিষন্নতা (Depression)এর রোগীরা প্রায়শই বলে আমার কিছু ভাল লাগে না, মন ভাল নেই, mood ভাল নেই। অর্থাৎ এটা একটা mood disorder. এই ভাল না লাগা সব সময় থাকে। কিন্তু কোন কোন mood disorder এ এই ভাল লাগে না, তো পরক্ষণেই মন বেশ উল্লসিত। অর্থাৎ mood এর মধ্যে ভাল না লাগা, আর ভাল লাগা’র দুটো pole আছে, যেটাকে বলে bipolar mood disorder. কিন্তু বিষন্নতা (Depression) এ শুধুই ভাল না লাগা। 

বিষন্নতা(depression) কি? বা, বিষন্নতা কাকে বলে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে- 

Depression is characterized by persistent sadness and a lack of interest or pleasure in previously rewarding or enjoyable activities.  It can also disturb sleep and appetite; tiredness and poor concentration are common.

অর্থাৎ বিষন্নতা হলো সব সময় মন খারাপ থাকা এবং কোন কিছুতে আগ্রহ না পাওয়া অথবা আগে ভালো লাগতো এমন কাজে আর কোন সময়ই ভালো না লাগা। সাথে ঘুমের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা, ক্লান্ত লাগা এবং মনোযোগ কমে যাওয়াও থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, মন খারাপ সবারই হয়। এটাই স্বাভাবিক। তবে, সার্বক্ষণিক ও তীব্র মন খারাপ হওয়া বিষন্নতার লক্ষণ হতে পারে। সন্দেহ হলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে বা নিদেন পক্ষে একজন এমবিবিএস পাশ করা নিবন্ধিত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে হবে।

কারণ কি এই ভাল না লাগার? কেন বিষন্নতা হয়?

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোন না কোন কারণ আছে, সেটি হতে পারে যৌক্তিক বা অযৌক্তিক কারণ। কিন্তু যে বিষন্নতার রোগী, তার কাছে প্রতিটি কারণই যৌক্তিক। তাই তার চারপাশের মানুষগুলো কখনো তাকে এটা বলবেন না, ‘তোমার এই মন খারাপের কারণটি অযৌক্তিক!’
এই কারণগুলো বিভিন্ন রকম হতে পারে, নিজের শারীরিক অসুস্থতা অক্ষমতা থেকে শুরু করে অন্য যে কোন সমস্যাই তার কাছে সমস্যা বলে মনে হয়, যা তাকে দুঃশ্চিন্তায় ভোগায় (anxiety), আর এর ফলেই এক সময় সে বিষন্নতার মধ্যে চলে যেতে পারে। তাই মাথায় রাখা ভাল, বিষন্নতার শুরুটা হতে পারে দুশ্চিন্তা (anxiety) থেকে, আবার দুশ্চিন্তা ছাড়াও বিষন্নতা শুরু হতে পারে।

বিষন্নতা (Depression) এর লক্ষণ কি?

ওই যে বলেছি কিছুতেই কিছু ভাল লাগে না।
মন ভাল লাগে না, শরীর ভাল লাগে না!
মন কিরকম ভাল লাগে না?
– আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
– আমি আর পারছি না।
– আমি ব্যর্থ।
– জীবনে কোন আশা নাই, আনন্দ নাই।
– কি লাভ বেঁচে থেকে!
অর্থাৎ মনের মধ্যে এক কথায় চরম নৈরাশ্যবাদী (pessimism) অবস্থা বিরাজ করবে। ফলে নিজেকে সমাজ সংসার থেকে গুটিয়ে নেবে, কম মিশবে মানুষের সাথে, যখন চেয়ারে বসবে তখন পিছনের দিকে চুপসে হেলান দিয়ে অলস ভঙ্গিতে বসবে।
যদি তার সমস্যা কি জিজ্ঞেস করা হয়, সে তার সমস্যাগুলো অনগর্ল বলে যাবে, এবং সাথে এটাও বলতে পারে, ‘আমার সমস্যার কোন সমাধান নেই।’ তার সমস্যার জন্য সে অন্যকে দায়ী করতে পারে, আবার দায়ী করতে পারে নিজেকেও, বলতে পারে ‘আমার অবস্থার জন্য আমি নিজেই দায়ী।’
তার যে শুধু মনই ভাল লাগে না, তা কিন্তু না। তার খেতে ভাল লাগবে না (reduced appetite), আর এর ফলে ওজন কমবে (weight loss), ঘুমাতে ভাল লাগবে না (disturbed sleep), এতে শরীর দুর্বল লাগবে (fatigue), যৌন চাহিদা/আকাংখাও কমে যাবে ( loss of libido), ঘরের কোণে জড়সড় হয়ে পরে থাকবে (motor retardation). অর্থাৎ তার মানসিক সমস্যাগুলো সমস্যাগুলো তার দৈনন্দিন জীবনের উপর এমনভাবে প্রভাব ফেলবে যে ফলশ্রুতিতে তার নানাবিধ শারীরিক সমস্যা তৈরি হবে। 

রোগ ধরা যাবে কিভাবে?

ওই যে উপরের লক্ষণগুলো শুনে আর বিস্তারিত আলোচনা করে। শারীরিক সমস্যা কিছু কি পাওয়া যাবে?
যেতে পারে। কারণ, বিষন্নতার এর অন্যতম একটি কারণ দেহের রোগ (physical illness)। সে রকম কিছু থেকে থাকলে সেই লক্ষণগুলো পাওয়া যাবে। আর, বিষন্নতার রোগীদের আত্বহত্যার প্রবণতা (suicidal tendency) থাকতে পারে। তাই আগে মরার জন্য যদি অল্পস্বল্প কোন চেষ্টা করে (self harm) থাকে তার চিহ্ন পাওয়া যেতে পারে। যেমন, ছুড়ি দিয়ে হাত কাঁটা, হাতের উপর ট্যাটু আঁকা A+G (আবুল+গোলাপী)। আবুলকে ছেড়ে গোলাপী এখন ট্রেনে করে ভেগে গেছে কিনা খোজ নিতে হবে। হতে পারে উল্টোটাও। এটিও এগুলো (depression) এর একটি অন্যতম কারণ।
betrayal
অনেক সময়ই বিষন্নতার রোগীরা নিজেদের কষ্টের কথা লুকিয়ে রাখে। মনোযোগ না দিলে বোঝা যায় না।

কোন পরীক্ষা (investigation) করে বিষন্নতা সনাক্ত করা যায় কি?

বিষন্নতার এর সুনির্দিষ্ট কোন পরীক্ষা (test) নাই। তবে, কোন শারীরিক সমস্যা আছে বলে সন্দেহ হলে সেই অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়, যেমন, থায়রয়েড হরমোনের সমস্যা থাকলে S. FT3, FT4, TSH পরীক্ষায় ধরা পড়তে পারে।

চিকিৎসা কি হবে?

অন্য কোন শারীরিক কোন সমস্যা থাকলে তার চিকিৎসা দেয়া হয়।
উপরে বলা হয়েছে যে বিষন্নতার সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা হলো Cognitive behaviour therapy (CBT), counseling। পরিবার ও পাশের কাছের মানুষগুলোকেই এটি বেশি করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের একটা প্রতিপাদ্য ছিল ‘Depression, let’s talk’ তাই রোগীর সাথে বেশি বেশি কথা বলতে হবে। তবে এইসব কথা না ‘তোর সমস্যার জন্য তুইই দায়ী, তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না হতচ্ছাড়া!’ এমন কথা বার বার কাছের মানুষদের কাছ থেকে শুনলে সমস্যা হয়।
 
তাহলে কি করবো?
Be positive, positive attitude, সাপোর্টিভ কথাবার্তা, ‘তোকে দিয়েই হবে, তুই আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট, রবার্ট ব্রুস, বিশ্বজয় কেবল তুইই করতে পারবি, ইত্যাদি ইত্যাদি!’ এছাড়া বিভিন্ন কাউন্সেলিং সেন্টার আছে, যেখানে গিয়েও কাউন্সেলিং নেয়া যায়।
 
এগুলোর পাশাপাশি কিছু ওষুধ আছে যা চিকিৎসকের পরামর্শ মত ব্যবহার করা যায়।
World Suicide Prevention Day, September 10
আত্বহত্যা প্রতিরোধে বন্ধুবান্ধব, পরিবার, সমাজ সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

এই বিষয়ে আরো কিছু জানার থাকলে নিচের ফর্মটি ব্যবহার করে আমাদের প্রশ্ন করতে পারবেন।

মায়েদের মানসিক সমস্যা আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে প্রথম বাচ্চার জন্মের পর মায়েরা শারীরিক, পারিবারিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মানসিক সমস্যার ভিতর দিয়ে যায়। এ সম্পর্কে জানতে পড়ুন নতুন মায়েদের বিপদজনক রোগঃ প্রসব পরবর্তী মনোব্যাধি (Psychiatric disorders in puerperium) 

    Leave a Comment