নবজাতক শিশুর যত্নের খুঁটিনাটি

Newborn

নবজাতক শিশুর যত্নের খুঁটিনাটি

একটা সদ্যোজাত শিশু/নবজাতক পরিবারকে সম্পুর্ণ করে। বাবা-মায়ের মনকে আনন্দে ভরে দেয়। অবশ্য আনন্দের সাথে সাথে অনেক সন্দেহ/দুশ্চিন্তাও তৈরি করে। বাচ্চা কি পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে? পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে? অমুকের বাচ্চাতো অনেক ছোট আমার বাচ্চা কি বেশি বড়? বাচ্চা কেন কান্না করছে ইত্যাদি নানা ধরণের প্রশ্ন তৈরি হয় মা-বাবার মনে। বিশেষ করে যদি প্রথম বাচ্চা হয়। সব সময় চিকিৎসকদের কাছে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। গেলেও সব কিছু জেনে নেয়ার কথা মনে থাকে না বা সময়ই পাওয়া যায় না। আর, নানী-দাদী বা প্রতিবেশিরা এতরকম পরামর্শ দেয় যে তা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়াও কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এই বিভিন্ন ধরণের সন্দেহ থেকে কিছুটা মুক্তি দিতেই এই প্রবন্ধ।  

Read more

মায়ের বুকের দুধ কম হওয়ার কারণ ও বৃদ্ধির উপায়

মায়ের বুকের দুধ কম হওয়ার কারণ এবং বুকের দুধ বৃদ্ধির উপায়

প্রবন্ধে আলোচিত বিষয়গুলো( নির্দিষ্ট একটি বিষয় পড়তে ক্লিক করুন)-

মায়ের বুকের দুধ যে নবজাতকের জন্য সবচেয়ে সেরা খাবার সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। এবং প্রত্যেক মায়ের সবচেয়ে বড় ইচ্ছা থাকে বাচ্চা যে ভালো থাকে, ভালো ভাবে খায় এটাই। বুকের দুধ খাওয়ানো খুবই সাধারণ এবং সহজ একটি বিষয়। তবুও কোন কোন সময় এই সাধারণ কাজটিও সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়ে উঠে না। বিশেষ করে যারা প্রথমবার মা হয়েছেন এবং সহযোগিতা করার মত পরিবেশ পান নাই তাড়া বুকের দুধ খাওয়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। ফলে, বুকের দুধের পরিমাণ (প্রবাহ) কমে যায়। বাচ্চা পরিমানমত দুধ পায় না। কেন মায়ের বুকের দুধের প্রবাহ কমে যায় এবং কিভাবে প্রবাহ ধরে রাখা যায় বা বৃদ্ধি করা যায় সেটা নিয়েই আলোচনা করবো।

Read more

শিশুদের শ্বাসকষ্টঃ কি করবেন?

Respiratory distress requires treatment with oxygen, nebulization

শিশুর শ্বাসকষ্টঃ কি করবেন?

বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি করেছে। আগের চেয়ে মৃত্যু হার কমে গেছে। তবে, সব ক্ষেত্রে ঘটনা এক রকম না। শিশুর শ্বাসকষ্ট এখনো আমাদের জন্য বড় সমস্যা। এর নানারকম কারণ আছে। এর মধ্যে  শিশুর শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি থাকে। একটা গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে সকল বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি হয় তাদের প্রায় দুইতৃতীয়াংশ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে আসে। সাধারণ সর্দি কাশি যেমন থাকে তেমন আরো মারাত্বক কিছু রোগ শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসে। এগুলোকে অবহেলা করা শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। 

শিশুদের শ্বাসকষ্টের কারণগুলো কি কি?

এর মধ্যে সবচেয়ে কমন রোগগুলো হলো-

১। নিউমোনিয়া (pneumonia)

২। ব্রঙ্কিওলাইটিস (bronchiolitis)

৩। এজমা (asthma)

৪। ক্রুপ (croup)

৫। যক্ষা (TB or tuberculosis) ইত্যাদি।

এছাড়া হার্ট ফেইলুর (Heart failure)এর কারণেও শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে। এই প্রবন্ধে আমরা নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস নিয়ে আলোচনা করবো কারণ এগুলোই সবচেয়ে কমন।

Read more

শিশুর পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়াঃ কি করবেন?

ডায়রিয়া

শিশুর পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়াঃ কি করবেন?

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ায় (diarrhoea) আক্রান্ত হয়নি এমন শিশু পাওয়া কঠিন। এক সময় পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে শত শত শিশু মারা যেত। বাংলাদেশি একজন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ডাঃ রফিকুল ইসলাম খাবার স্যালাইন আবিষ্কারের পর থেকে দ্রুত এই মৃত্যু কমে এসেছে। তবে, এখনো এটা বিশ্বব্যাপী ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর ২য় সর্বোচ্চ কারণ। মৃত্যু ছাড়াও শিশুদের পাতলা পায়খানার কারণে বাবা-মাএর (এবং অবশ্যই শিশুটির) শারীরিক, মানসিক কষ্ট এবং আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকে। কাজেই, এর গুরুত্ব এখনো কমেনি। তবে, সাধারণ কিছু জিনিস জানলে ও মানলে শিশুদের পাতলা পায়খানা হওয়া কমানো সম্ভব এবং হয়ে গেলে দ্রুত সুস্থ করে তোলা সম্ভব। 

Read more

শিশুর দাঁতঃ সাধারণ জিজ্ঞাস্য ও উত্তর

childtoothfaq

শিশুর দাঁত: সাধারণ জিজ্ঞাস্য ও তার উত্তর

শিশুর যেকোন পরিবর্তনই বাবা-মাকে উত্তেজিত করে। আর দাঁত তো বিরাট ব্যাপার। শিশুর হাসিটা হঠাৎ করেই আরো সুন্দর হয়ে উঠে। কামড় দেয়ার প্রবণতা তৈরি হয় (সেটা মাঝে মাঝে ব্যথা দিলেও দেখতে ভালোই লাগে)। কিন্তু একই সাথে যত্ন না নিলে অনেক সময়ই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে, এ বিষয়ে শিশুর বাবা-মায়ের অনেক জিজ্ঞাসা থাকে। এ সংক্রান্ত কিছু কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর নিচে দিচ্ছি। আশাকরি উপকার হবে। শিশুর দাঁত নিয়ে যদি প্রশ্ন থাকে পৃষ্ঠার শেষের দিকে থাকা ফরম ফিলাপ করে পাঠিয়ে দিন। আমরা যতদ্রুত সম্ভব নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

 

Read more

করোনাভাইরাসঃ গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ তথ্য

covid19 general knowledge

করোনাভাইরাসঃ গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ তথ্য

করোনাভাইরাস মহামারী চলছে। আজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কোটির উপর মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ৩ লাখ মানুষ মৃত্যু বরণ করেছে ( ওয়ার্ল্ডোমিটার )। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে আমেরিকাতে, মৃত্যুর ক্ষেত্রেও তাই। কিন্তু অন্যান্য দেশগুলোতেও বাড়ছে যার মধ্যে বাংলাদেশও আছে। বাংলাদেশে ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আজ পর্যন্ত ২০ হাজারেরও উপর মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছে, প্রায় ৩০০ মানুষের মৃত্যুও হয়েছে। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাসের রোগ বা কোভিড-১৯ রোগটি (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ)

এই রোগের প্রতিরোধের জন্য প্রত্যেককে সচেতন থাকতে হবে এবং সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে সংগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সাথে সচেতন থাকতে হবে যেন ইন্টারনেট থেকে পাওয়া ভুল তথ্য আমাদের ঝুকির মধ্যে ফেলে না দেয়। প্রচলিত ভুলগুলো নিয়েও আমাদের পোস্ট আছে। পড়ে দেখুন- করোনা ভাইরাসঃ প্রচলিত ভুল তথ্য

ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী

এই রোগ সবারই হতে পারে। তবে, কিছু জনগোষ্ঠীর জন্য এটি বেশি ক্ষতিকর বিবেচিত হচ্ছে। উদাহারণ হিসেবেঃ 

  • যে এলাকায় সামাজিক বিস্তার ঘটছে এমন জায়গায় বসবাসকারী 
  • কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে এসেছে এমন ব্যক্তি
  • বয়ষ্ক ব্যক্তি বা যারা বৃদ্ধাশ্রমে থাকে এমন ব্যক্তি
  • পুরুষ
  • অন্যান্য রোগ যেমন – ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন, হৃদরোগ, বা কিডনির রোগে ভোগা রোগী
  • ধুমপায়ী
  • ক্যান্সারের রোগী ইত্যাদি

 

লক্ষণসমুহ

করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর ৮০% লোকের কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়না। বাকীদের মধ্যেও বেশিরভাগেরই খুবই মৃদু লক্ষণ প্রকাশ পায়। অল্প কিছু রোগীর এই রোগ মারাত্বক আকার ধারণ করে। তবে, তা ২% এরও কম। 

সাধারণ লক্ষণ গুলো নিম্নরুপ হতে পারেঃ এগুলো সাধারনভাবে বেশিরভাগ রোগীর মধ্যে (যাদের লক্ষণ প্রকাশ পায় তাদের মধ্যে) দেখা যায়ঃ

  • জ্বরঃ প্রায় ৭৭%-৯৮% রোগীর দীর্ঘ এবং অনিয়মিত জ্বর থাকে। শীত শীত লাগা বা কাপুনি থাকতে পারে। তবে, শিশুদের জ্বর নাও থাকতে পারে। 
  • কাশিঃ প্রায় ৫৭%-৮২% রোগীর শুকনা কাশি থাকে। শিশুদের নাও থাকতে পারে। 
  • শ্বাসকষ্টঃ প্রায় ১৮%-৫৭% রোগীর শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে। সাধারাণত এটা ৫-৮ দিনের মাথায় দেখা দেয়। শিশুদের তীব্র রোগের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে। 
  • স্বাদ ও গন্ধ না পাওয়াঃ মৃদু বা মাঝারি মাত্রার রোগে স্বাদ (প্রায় ৪৪% ক্ষেত্রে) ও গন্ধএ (প্রায় ৫৩% ক্ষেত্রে) পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।  ইউরোপিয়ান কিছু গবেষণায় আরো বেশি রোগীর ক্ষেত্রে গন্ধ ও স্বাদের পরিবর্তন পাওয়া গেছে। 

একটু অপ্রচলিত লক্ষণঃ

  • শারীরিক দুর্বলতা
  • শরীর ব্যথা
  • কফ
  • গলা ব্যথা

খুবই অপ্রচলিত লক্ষণঃ

  • পেটের সমস্যা (ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, পাতলা পায়খানা, পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া, পেট ব্যথা ইত্যাদি)
  • মাথা ঝিম ঝিম করা
  • মাথা ব্যথা
  • কনফিউশন/চিন্তার অস্পষ্টতা
  • সর্দি
  • রক্তবমি
  • বুকে ব্যথা
  • চোখ লাল হওয়া ইত্যাদি।

এই ভাইরাস শরীরের সব অংগপ্রত্যংগকে আক্রান্ত করে। ফলে, সব লক্ষন নিয়েই আসতে পারে। যদিও ফুসফুসের সমস্যাই বেশি বোঝা যায়। স্বাভাবিকের বাইরে কোন লক্ষণ দেখলেই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হল rt-pcr. Real-time reverse transcription polymerase chain reaction (RT-PCR)এর মাধ্যমে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। এবং সারা পৃথিবীতেই এটাকে করোনাভাইরাস ইনফেকশন সনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে এটাকে একমাত্র সনাক্তকরণ পদ্ধতি হিসেবে নেয়া হয়েছে।

তবে, rt pcr ছাড়াও আরো বেশ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সনাক্ত করা সম্ভব। যেমনঃ 

১। রক্তের কিছু পরীক্ষা- এন্টিবডি টেস্ট, এন্টিজেন টেস্ট, বা সমন্বিত টেস্ট। Roche কোম্পানী অল্প কিছুদিন আগে একটা রক্তের টেস্ট আবিষ্কার করেছে যেটা দিয়ে সফলতার সাথে প্রায় ১০০% করোনাভাইরাস সংক্রমন নির্ণয় করা সম্ভব। একই প্রকার একটি টেস্ট বাংলাদেশের গণস্বাস্থ্য জনসমাজভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালএর ডঃ বিজন কুমার শীল আবিষ্কার করেছেন। এটার সফলতার হার এখনো নিশ্চিত না। 

২। সিটি স্ক্যানঃ বুকের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সনাক্ত করা সম্ভব। এমন কি এটি শুরুতে সনাক্ত করার ক্ষেত্রে rt pcr এর চেয়েও সফল। 

রোগীর অবস্থা বোঝার জন্য বেশ কিছু সাধারণ পরীক্ষানিরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়ঃ

  • Pulse Oximetry
  • Arterial Blood Gas analysis
  • Complete blood count
  • Blood glucose level
  • Coagulation profile
  • C-reactive protein
  • Serum lactate dehydrogenase
  • Serum interleukin-6 level
  • Cardiac biomarkers
  • Procalcitonin
  • Comprehensive metabolic panel
  • Serum amyloid A level
  • Serum creatine kinase
  • Serum ferritin level
  • X-ray chest

চিকিৎসাঃ

দুর্ভাগ্যজনকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা লক্ষণের উপর নির্ভর করে দেয়া হয়। যে সমস্যা দেখা যায় তার চিকিৎসা দেয়া হয়। যেমনঃ

  • জ্বর হলে প্যারাসিটামল
  • শ্বাসকষ্ট হলে অক্সিজেন
  • শরীর ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল
  • সর্দি থাকলে এন্টিহিস্টামিন (antihistamine) – এলাট্রল, হিস্টাসিন, ফেনাডিন ইত্যাদি।
  • ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ইনফেকশন হয়েছে মনে হলে এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। 

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বেশ কিছু পরীক্ষামূলক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখনো কোনটাই সম্পুর্ন কার্যকর বলে প্রমাণিত হয় নি। এর মধ্যে কিছু কিছু ঝুকিপুর্ণ । কাজেই, চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোন ঔষধ সেবন করবেন না।

 

প্রতিরোধঃ

এধরণের রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা বা ভ্যাক্সিন ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে এরই মধ্যে ইপিআইএর মাধ্যমে অনেকগুলো ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেয়া হচ্ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে করোনাভাইরাস ইনফেকশনের কোন টিকা আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি।

সারা পৃথিবীতে গবেষণা চলছে। তবে, সফল হলেও তা বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌছতে ২০২০ সাল শেষ হয়ে যেতে পারে। কাজেই, এখন পর্যন্ত আমাদের প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় সতর্কতাঃ

  • সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা
  • ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
  • জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়া
  • করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ প্রকাশ পেলে ৩৩৩ বা ১৬২৬৩ ডায়াল করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া। 

এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে নিচের ওয়েবসাইটগুলো ভিজিট করতে পারেনঃ

করোনাভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কোভিড-১৯ঃ স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

স্বাস্থ্যকর্মীদের কেন অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন সেটা বোঝার জন্য প্রথমে জানতে হবে এই ভাইরাস ছড়ায় কিভাবে?

করোনা ভাইরাস মুলত স্পর্শ, রেসপিরেটরি ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়।

১। একজন মানুষ যখন ভাইরাস আছে এমন কোন বস্তু হাতদিয়ে স্পর্শ করে তখন ভাইরাস তার হাতে চলে আসে। পরবর্তীতে যখন সে চোখ, নাক, বা মুখ স্পর্শ করে তখন এই ভাইরাস শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।

 ২। করোনা আক্রান্ত রোগী যখন হাচি/কাশি দেয় তখন বুক থেকে বের হয়ে বাতাসে ক্ষুদ্র কণার মত করে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী ৩-৪ ঘন্টা ঐ বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্রকণা যেই শ্বাসের সাথে নিবে সেই আক্রান্ত হয়ে পড়বে। অন্যদিকে যখন এই ক্ষুদ্রকণাগুলো নিচে পড়বে তখন আশে পাশে থাকা টেবিল, চেয়ার, বইপুস্তক ইত্যাদির উপর পড়ে থাকবে। কেউ হাত দিয়ে ধরলেই তার হাতে চলে আসবে।

 

যদি কোন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হন তবে তার লক্ষণ প্রকাশ পেতে সময় লাগবে ৫-১৪ দিন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঐ সময়েও সে এই ভাইরাস ছড়াতে থাকবে। এজন্য, চিকিৎসা কর্মীদের বলা হচ্ছে সুপার স্প্রেডার। একজনই অনেক অনেক লোকের কাছে এই ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। আরো সমস্যা হল একজন চিকিৎসক রোগ ছড়াবেন অসুস্থ মানুষের মাঝে যারা এমনিতেই ঝুকির মধ্যে থাকে । ফলে , মৃত্যুর হার বেড়ে যাবে। 

স্তন ক্যান্সারঃ নারীদের ১নং ঘাতক

একটা সময় ছিল আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ মারা যেত বিভিন্নরকম সংক্রামক রোগে ভুগে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির সাথে সাথে ধীরে ধীরে রোগের ধরনেও পরিবর্তন আসছে। অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন আগের চেয়ে বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। এর এক কারণ হতে পারে এখন আগের চেয়ে বেশি রোগ সনাক্ত হচ্ছে অথবা হয়ত রোগের পরিমানই বেড়ে যাচ্ছে। এই রোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হচ্ছে কর্কট রোগ (cancer)।  দেশে মৃত্যুর ১৩% হয় এই ক্যান্সার থেকে। পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় ফুসফুসের ক্যান্সার আর নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার। স্তন ক্যান্সারের বিষয়ে নারীদের মধ্যে লজ্জা কাজ করে। এছাড়া সন্দেহ করতেও অনেক ক্ষেত্রে দেরি হয়ে যায়। এটা দূর করার একই রাস্তা। সচেতনতা।

Read more

স্বল্প ওজনের শিশুর বিশেষ যত্ন

very low birth weight baby

আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি হচ্ছে ক্রমশ। ফলাফল, মৃত্যুহার কমে আসছে। কিন্তু এখনো আমাদের দেশের  মৃত্যুহার বেশি। পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৪৬। এর মধ্যে ০-২৮ দিন বয়সী বাচ্চাদের মৃত্যু প্রায় ৬০%। স্বল্প ওজনের অপরিনত অবস্থায় জন্ম নেয়া বাচ্চার মৃত্যুর ঝুকিও অনেক বেশি। এই বাচ্চাগুলোর অনেক ধরণের সমস্যা দেখা যায়। এই বাচ্চাগুলোর যত্ন কিভাবে নিবেন সেটা নিয়েই আমাদের এই প্রবন্ধ। চট করে নির্দিষ্ট অংশ দেখে নিতে নিচের তালিকা ব্যবহার করুন অথবা প্রথমবার হলে পুরোটাই পড়ে নিন।

Read more

ফ্রিজে জমানো গোস্ত কিভাবে রান্নার উপযোগী (Defrost) করবেন?

মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশে অনেক পশু কোরবানী হচ্ছে প্রতি বছর। সরকারী হিসাব মতেও এবছর প্রায় ১ কোটি ১৬ লক্ষ পশু কোরবানী হয়েছে। নিয়ম অনু্যায়ী বেশিরভাগ গোস্ত গরীব দুখীদের মধ্যে বিতরণ করা এবং আত্বীয়স্বজনকে আপ্যায়ন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর বেচে যাওয়া অতিরিক্ত গোস্ত  সাধারণত ফ্রিজে/ অন্যভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।  কিছু দিন পর পর বের করা হবে অল্প অল্প করে। বিভিন্ন সামাজিক, পারিবারিক আয়োজনে রান্না করে খাওয়ানো হবে। কিন্তু রান্না করার জন্য কিভাবে ফ্রিজে জমানো এই গোস্তকে রান্নার উপযোগী (defrost) করবেন? কাজটা সঠিকভাবে না করলে স্বাদ যেমন নষ্ট হবে, তেমনই এতে ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন হবে। কাজেই, সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করা জরুরী।

Read more