বাংলাদেশের শিশু

বাংলাদেশের শিশু আইন অনুসারে যে কেউ ১৮ বছরের নিচে হলেই তাকে শিশু বলা হয়। কাজেই, শিশুরা আমাদের স্কুল, কলেজ বা মাদ্রাসাগুলোতে আছে। আছে বাসাবাড়িতে বা রাস্তাঘাটে। বিভিন্ন অবস্থায় থাকা শিশুরা বিভিন্ন ধরনের বিপদের সম্মুখীন হয়। শিশুর অবস্থা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হল মৃত্যুর কারণগুলো দেখা।

 

আমাদের দেশের শিশু মৃত্যুর প্রধান কারণগুলো দেখুনঃ

১। নিউমোনিয়া

২। অপরিণত অবস্থায় জন্ম সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা

৩। নবজাতকের ইনফেকশন

৪। জন্মের সময় শ্বাস নিতে দেরি হওয়া সংক্রান্ত সমস্যা

৫। তীব্র ইনফেকশন (septicemia) ইত্যাদি

লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয় যে, ডায়রিয়ায় শিশুমৃত্যুর হার এখন এত কম যে উপরের তালিকায় স্থান পায় নি। পুর্বের তুলনায় আমাদের শিশু মৃত্যুর হার অনেক কমানো সম্ভব হয়েছে। তবুও তা অনেক বেশি। এবং এই মৃত্যুর বেশির ভাগ হচ্ছে জন্মের ২৮ দিনের মধ্যে। এই ২৮ দিনের মধ্যে আবার প্রথম ৭ দিন শিশুরা বা নবজাতকরা সবচেয়ে বেশি ঝুকির মধ্যে থাকে।

 

 

নবজাতকের মৃত্যুর হার কমানো শুধুমাত্র নবজাতকের চিকিৎসা দিয়েই করা সম্ভব না। এক্ষেত্রে, মা ও নবজাতককে একই সঙ্গে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা দিতে হবে। সুস্থ্য মা-ই কেবল সুস্থ্য শিশুর জন্ম দিতে পারেন।

আরো দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ

অন্য একটি বিষয়ের প্রতি আলোকপাত না করলেই না। আমাদের দেশের শিশু মৃত্যুর একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে পানিতে ডুবে যাওয়া। এ ব্যাপারেও আমাদের সচেতনতা কাম্য।

সর্বশেষ যে বিষয়টির বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই সেটা হচ্ছে ‘শিশু নির্যাতন’। সামাজিক অবক্ষয় বাড়ার সাথে সাথে শিশু নির্যাতনও বাড়ছে। সেটা শারীরিক নির্যাতন হোক, আর যৌন নির্যাতন হোক। এগুলো শিশুর মনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। কাজেই, এ থেকে শিশুকে আগলে রাখা জরুরী।

 

 

Leave a Comment